বৃহস্পতিবার, ৩০ Jul ২০২৬, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
শান্তিগঞ্জে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত সুবিপ্রবিতে নতুন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, দায়িত্বে অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সরকার শান্তিগঞ্জে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা ২৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ২৮ হাজার কোটি টাকা সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে প্রথমবারের মতো ধামাইল কর্মশালা অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুরে ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটিতে স্থান পেলেন ক্রীড়ানুরাগী শামীম আহমেদ সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন: আইনমন্ত্রী

মাদক ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে নতুন আইন

মাদক ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে নতুন আইন

জগন্নাথপুর নিউজ ডেস্ক :: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, মাদক সম্রাট বা মাদক গডফাদারদের আইনের আওতায় আনতে মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা ধরে অভিযান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

মাদক ব্যবসায় জড়িত মাস্টারমাইন্ডরা সহজেই যাতে পার না যায় সেজন্য কঠোর ব্যবস্থা রেখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এই আইনে মাদক ব্যবসায়ীয় পৃষ্ঠপোষক ও মাদকের গডফাদারসহ মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার জাতীয় সংসদে বেগম পিনু খানের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও জানান, বিদ্যমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ এ মাদক অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রয়েছে। তবে বিদ্যমান আইনে কোনো ব্যক্তির দখলে/কর্তৃত্বে/অধিকারে মাদকদ্রব্য না পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ নেই। ফলে মাদক ব্যবসায় জড়িত মাস্টারমাইন্ডরা সহজেই পার পেয়ে যায়। এ কারণেই নতুন আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ আইনে মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষকতাদানকারী কোনো ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকেও আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে মানি লন্ডারিং-সংক্রান্ত অপরাধ তদন্তে অধিদফতরের কর্মকর্তাদের ক্ষমতায়িত করা হচ্ছে।

ইসরাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, মাদক সমস্যা একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। বাংলাদেশ মাদক উৎপাদনকারী দেশ না হয়েও মাদকদ্রব্যের ভয়াল থাবায় আক্রান্ত। বাংলাদেশে হেরোইন, কোডিন মিশ্রিত বিভিন্ন মাদক যা ফেনসিডিল হিসেবে পরিচিত, ইয়াবা ও গাঁজা আমদানি করা হয় না। এগুলো বিভিন্নভাবে আমাদের দেশে পাচার হয়ে আসে।

তিনি জানান, ইয়াবা মূলত মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে পাচার হয়ে আসে। দেশের অভ্যন্তরে মাদকদ্রব্য প্রবেশের সুযোগ বন্ধের বিষয়ে পাচারকারী/সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে সব বাহিনীর সমন্বয়ে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে সব বাহিনী বন্ধপরিকর। তাছাড়া ইয়াবাপ্রবাহ বন্ধ করার ব্যাপারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর কক্সবাজারের টেকনাফে বিশেষ জোন স্থাপনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছে।

সানজিদা খানমের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিয়ন্ত্রণে সরকার বন্ধপরিকর। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ইতিমধ্যেই কাউন্টার টেরোরিজম নামে নতুন একটি ইউনিট গঠন করা হয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গতিবিধির ওপর সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। ঢাকা মহানগরী এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, অজ্ঞানপার্টি, মলমপার্টি, ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন সংঘবদ্ধ অপরাধ যাতে সংঘটিত হতে না পারে সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধিসহ এসব অপরাধীকে গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017-2026 Jagannathpurnews.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com